সরফরাজের সেরা চারে আফগানিস্তান থাকলেও নেই ইংল্যান্ড-সাউথ আফ্রিকা

ছবি: ফাইল ছবি

সবশেষ দুই আইসিসি টুর্নামেন্টের সেরা চারে উঠলেও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তাদের সেমিফাইনালে দেখছেন না সরফরাজ আহমেদ। সাউথ আফ্রিকার মতো পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়কের সেরা চারে নেই ইংল্যান্ডও। সবশেষ কয়েকটি আইসিসি টুর্নামেন্টে সুবিধা করতে পারেননি জস বাটলাররা। ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতা ইংলিশরা ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিতে হয়েছে।
বিদেশি ক্রিকেটারদের সংকটে আইপিএলের জৌলুশ কমবে না: ধুমাল
১৭ মে ২৫
২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অবশ্য সেরা চার খেলেছিল তারা। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে দল হিসেবে ছন্দে নেই ইংলিশরা। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ‘বি’ গ্রুপ থেকে সেমিফাইনালিস্ট হিসেবে আফগানিস্তান ও অস্ট্রেলিয়াকে বেছে নিয়েছেন সরফরাজ। কয়েক বছরে ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করে নিজেদের ওই জায়গায় নিয়ে গেছে আফগানরা। ২০২৩ বিশ্বকাপে অল্পের জন্য সেরা চারে যেতে না পারা এবং ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা চার খেলাই প্রমাণ।

এশিয়ার কন্ডিশনে খেলা হওয়ায় বাড়তিও সুবিধাও পাবেন রশিদ খানরা। ‘এ’ গ্রুপ থেকে সরফরাজের সেরা চারে যাওয়ার দাবিদার ভারত ও পাকিস্তান। ফলে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়কের চোখে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। অথচ কদিন আগে পাকিস্তানে হওয়া ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা জিতেছে কিউইরা।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের একাদশ ঘোষণা, ফিরলেন স্টোকস
৫৭ মিনিট আগে
সেরা চারটি দলের নাম প্রকাশ করলেও সরফরাজ বাকিদেরও ফেলে দিচ্ছেন না। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে সরফরাজ বলেন, ‘আমাকে যদি সেমিফাইনালের জন্য চারটি দল বেছে নিতে হয় তাহলে আমি পাকিস্তান, ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং আফগানিস্তানের নাম বলব। কিন্তু আমি বাকিদেরও ফেলে দিচ্ছি না।’
২০১৭ সালে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা জিতেছিল পাকিস্তান। ঘরের মাঠে খেলা হওয়ায় বাড়তি চাপে থাকবে বলে মনে করেন সরফরাজ। তিনি বলেন, ‘ঘরের মাঠে খেলা হওয়ায় পাকিস্তান চাপে থাকবে। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় তাদের প্রতি অনেক প্রত্যাশা থাকবে। কিন্তু সমর্থকরা তাদের পাশে থাকবে।’