শ্রীলঙ্কাকে হোয়াইটওয়াশ করতেই মাঠে নামবে বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত

|| ডেস্ক রিপোর্ট ||
গেল বছর শ্রীলঙ্কা সফরে বড় সুযোগ হাতছাড়া করেছিল বাংলাদেশ। প্রথম টেস্ট ড্র করেও দ্বিতীয়টিতে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ২০৯ রানের বড় পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ পায় সফরকারী দল। এবার ফিরতি সফরে বাংলাদেশে এসেছে লঙ্কানরা। আর ১৫ মে থেকে শুরু হতে যাওয়া সিরিজের আগে জেমি সিডন্স জানিয়েছেন, দিমুথ করুনারত্নের দলকে হোয়াইটওয়াশের লক্ষ্য নিয়েই এবার মাঠে নামবে মুমিনুল হকের দল।
সাম্প্রতিক সময়ে লাল বলে নিউজিল্যান্ডে টেস্ট জেতার পর ১-১ ব্যবধানে সিরিজ শেষ করে বাংলাদেশ। তবে এই ধারাবাহিকতা দক্ষিণ আফ্রিকায় ধরে রাখতে পারেনি মুমিনুলবাহিনী। ওয়ানডে সিরিজ জিতলেও টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয় দলটি।
তারপরও ঘরের মাঠ হওয়ায় শ্রীলঙ্কাকে হোয়াইটওয়াশ করা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সিডন্স। তবে লক্ষ্য অর্জন যে সহজ হবে না সেটি জানেন তিনি। কিন্তু হোম কন্ডিশনে সব ম্যাচ জেতার বাড়তি তাড়না কাজ করে বিধায় আশাবাদী সিডন্স।

মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে সিডন্স বলেন, ‘শ্রীলঙ্কা খুব ভালো বোলিং সাইড। ওদের ব্যাটিংও অনেক ভালো। তাই আমাদেরকে নিজেদের সেরা খেলা খেলতে হবে টেস্ট ম্যাচ জিততে। আমাদের লক্ষ্য অবশ্যই ঘরের মাঠে এ দুই টেস্ট জেতা। আমরা সবসময় ঘরের মাঠে সব ম্যাচ জিততে চাই।’
‘বাস্তবতা হলো সবসময় ঘরের মাঠে জেতা হয় না। আমরা ভালো ক্রিকেট খেলতে চাই। আমরা এই দলের বিপক্ষে আত্মবিশ্বাসী। চট্টগ্রামে ভালো ক্রিকেট খেলেছি আমরা। তো এটিই আমাদের চ্যালেঞ্জ যে, পাঁচদিনই যেনো আমরা ভালো খেলি। পরে দেখা যাবে শেষে কী হয়’ আরও যোগ করেন তিনি।
মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এ বিষয়ে কথা বলেছেন টাইগারদের ব্যাটিং কোচ জেমি সিডন্স। লক্ষ্য অর্জন যে সহজ হবে না সেটি জানেন তিনি। তবে ঘরের মাঠে খেলা হওয়ায় সবসময়ই সব ম্যাচ জেতার বাড়তি তাড়না কাজ করে বিধায় আশাবাদী সিডন্স।
দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফিরে ক্রিকেটাররা ঘরোয়া লিগ দিয়ে নিজেদের ঝালাই করে নিয়েছেন। কিন্তু সুযোগ হয়নি লাল বলে অনুশীলনের। এ কারণেই সিরিজ শুরুর আগে অনুশীলনে বাড়তি মনযোগী টেস্ট দলের সদস্যরা।
সিডন্স বলেন, ‘আমাদের বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই দেশে ফেরার পর প্রিমিয়ার লিগে রান করেছে। তারা অন্তত ব্যাটিং করছিল, রান পাচ্ছিল, আত্মবিশ্বাসও বাড়ছিল। এখানেও আমরা বেশ ভালো ৪-৫ দিনের সেশন করলাম। আমরা ব্যাটিং নিয়ে অনেক কথা বলেছি, আরও অনেক কথা হবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘সামনে আরও তিনদিন বাকি আছে অনুশীলন। আমি মনে করি দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের পর এটি যথেষ্ট। দক্ষিণ আফ্রিকায় লম্বা সফর ছিল। আমার মতে, সফল একটি সফর, ওয়ানডে দলের কল্যাণে। টেস্টে হয়তো খুব একটা ভালো খেলতে পারিনি। তবে ক্রিকেটে এমন হয়। আপনার ভালো দিন যাবে, খারাপ দিন যাবে।’
‘তবু আমি মনে করি সেই দুই ম্যাচেও ভালো খেলেছি আমরা। তাইজুল এক ম্যাচে ৯ উইকেট পেয়েছে, জয় দারুণ এক সেঞ্চুরি করেছে... তার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকেই... আমরা প্রথম ইনিংসে দারুণ কিছু শুরু পেয়েছিলাম কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে ভালো করতে পারিনি। তো এদিকেই মনোযোগ। প্রথম ইনিংসে আরও বড় সংগ্রহ দাঁড় করানোই হয়তো আমাদের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’