চিন্নাস্বামীর দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে ২৫ লাখ রুপি দেবে বেঙ্গালুরু

ছবি: রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিজয় মিছিলের অনুষ্ঠানে বিরাট কোহলি, ফাইল ফটো

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে ‘আরসিবি কেয়ার্স’ নামে একটি উদ্যোগ চালু করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। আরসিবির ভাষায় এটি 'স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে অর্থবহ পদক্ষেপ নেয়ার দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার'। এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ২৫ লাখ রুপি করে আর্থিক সহায়তা দেবে আরসিবি।
বেঙ্গালুরুতে ভিন্ন ভূমিকায় যোগ দেয়ার ইঙ্গিত ভিলিয়ার্সের
২৫ আগস্ট ২৫
আরসিবি তাদের ইনস্টাগ্রামে লিখেছে, 'আমরা হারিয়েছি আরসিবি পরিবারের ১১ সদস্যকে। তারা আমাদেরই অংশ ছিল। আমাদের শহর, কমিউনিটি ও দলকে যেটা বিশেষ করে তোলে, তারই অংশ ছিল তারা। তাদের অনুপস্থিতি আমাদের প্রত্যেকের স্মৃতিতে প্রতিধ্বনিত হবে।
'

'কোনো সহানুভূতিই সেই শূন্যতা পূরণ করতে পারবে না। তবে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে এবং গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে, আমরা নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ রুপি করে সহায়তা দিয়েছি। শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, এটি সহানুভূতি, একতা এবং ধারাবাহিক যত্নের প্রতিশ্রুতি।'
দ্রাবিড়ের সঙ্গে রাজস্থানের ছাড়াছাড়ি
৪ ঘন্টা আগে
গত ৪ জুন বেঙ্গালুরু শহরে সমর্থকদের সঙ্গে বিজয় উদ্যাপন করতে একটি বিশাল শোভাযাত্রার আয়োজন করেছিল আরসিবি। নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি ও পুলিশ ফোর্সের স্বল্পতা সত্ত্বেও ফ্র্যাঞ্চাইজি, আয়োজক সংস্থা ডিএনএ এবং কর্নাটক স্টেট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করে। এতে করে কুইন্স রোড ও কব্বন রোড এলাকায় বিপুল জনসমাগম ঘটে।
জনসমাগম কিছুক্ষণের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। শ্বাসরোধ, ঠেলাঠেলি ও অতিরিক্ত ভিড়ে পদদলনের ঘটনা ঘটে। অনেকেই মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এলেও নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতিতে প্রাণ হারাতে হয় ১১ জনকে।
এই ঘটনার পর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে আর কোনো ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজনের অনুমতি দেয়া হয়নি। ২০২৫ সালের মহারাজা ট্রফির ম্যাচগুলো মাইসুরুতে স্থানান্তর করা হয় নিরাপত্তা ছাড়পত্র না পাওয়ায়। সম্প্রতি নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৫-এর নির্ধারিত ম্যাচগুলো আয়োজনের স্বত্বও হারিয়েছে স্টেডিয়ামটি।